গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু ও তিন সাংবাদিক রয়েছেন। আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। নিহত সাংবাদিক আনাস গুনাইম, আবদুল রউফ শাআথ ও মোহাম্মদ কেশতা মিশরীয় গাজা রিলিফ কমিটির হয়ে কাজ করছিলেন এবং নেটজারিম করিডোরের কাছে তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। কমিটি জানায়, তারা একটি নতুন বাস্তুচ্যুত শিবিরের চিত্র ধারণ করছিলেন এবং গাড়িটি ইসরায়েলি সেনাদের কাছে পরিচিত ছিল। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানায়, ওই গাড়ির যাত্রীরা সেনাদের ওপর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ড্রোন ব্যবহার করছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
গাজার কেন্দ্রীয়, দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলে পৃথক হামলায় আরও কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। দেইর আল-বালাহ এলাকায় এক পরিবারে তিনজন, বানী সুহেইলায় ১৩ বছর বয়সী এক শিশু এবং খান ইউনিসের কাছে ৩২ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। উত্তর গাজায় আরও দুইজন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে ওয়াফা সংবাদ সংস্থা।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি ইসরায়েল বারবার লঙ্ঘন করছে। গাজায় ২২ লাখ মানুষ খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের তীব্র সংকটে ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানবিক বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে।