প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ প্রায় ১৩ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ৩২ হাজার নবজাতক যুক্ত হচ্ছে। এ সংকটের একমাত্র সমাধান হচ্ছে টেকসই প্রত্যাবাসন। তিনি বলেন, আরাকান আর্মি বর্তমানে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ২৭১ কিমি এবং রাখাইনের ১৭টির মধ্যে ১৪টি টাউনশিপ নিয়ন্ত্রণ করছে। আরো বলেন, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে নতুন করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আরাকান আর্মির হামলার মুখে ৯০৯ জন মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর মধ্যে ৮৭৫ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং ৩৪ জনকে শিগগির পাঠানো হবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যৌথ সহায়তা পরিকল্পনার অর্থায়ন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিও আর্থিক সংকটে রয়েছে। আশা করি কাতার এই দিক থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।