Web Analytics
বহুল প্রত্যাশিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোট বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের ২৯৯টি আসনের ৪২ হাজার ৯৫৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা। দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের নেতৃত্ব বেছে নিয়েছে এবং একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত গণভোটে অংশ নিয়েছে।

মোট ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নেয়, যেখানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় অংশ নিতে পারেনি। নির্বাচন কমিশন এক লাখ সেনা ও নয় লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করে। প্রায় চার কোটি তরুণ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দেয়। এবারের প্রচারণা ছিল ডিজিটালনির্ভর, যেখানে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

‘জুলাই সনদ’ নামে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত গণভোটে ভোটাররা গোলাপি ব্যালটে মত দেন। এই নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!