কাল্পনিক গল্প ‘১০০% সিমেট্রিক্যাল’-এ ঢাকার স্থপতি রিশাদ নিজের ঘর ও চারপাশের সামান্য অসমতাতেও অস্থির হয়ে ওঠে। তার নিখুঁততার চাপ সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী জেসমিন চলে গেছে। ফুফাতো ভাই মকবুল এসে জেসমিনের ফেরার কথা জানতে চায়। রাতে রিশাদ থ্রি-ডি লেজার স্ক্যানারে নিজের নগ্ন শরীর মেপে দেখে, তার ডান কান বাম কানের চেয়ে ৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার নিচে ও সামান্য বড়; বাম হাতের মধ্যমা আঙুল ডান হাতেরটির চেয়ে ২ দশমিক ১ মিলিমিটার ছোট।
এই মাপজোখে রিশাদ আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ হয়। সারাজীবন প্রতিসাম্য খুঁজলেও নিজের শরীরকে সে ত্রুটিপূর্ণ মনে করে। টুলবক্স থেকে সার্জিক্যাল স্ক্যালপেল, স্টিল রুলার ও ক্লোরোফর্ম বের করে সে ডান কানের লতি অবশ করে অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলে। ছোট আঙুল বড় করা সম্ভব নয় ভেবে সে ডান হাতের মধ্যমা আঙুল ২ দশমিক ১ মিলিমিটার ছোট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পরদিন সকালে মকবুল শোবার ঘরে রক্তাক্ত রিশাদকে দেখতে পায়। ল্যাপটপে সবুজ অক্ষরে ‘১০০% সিমেট্রিক্যাল’ লেখা দেখা যায়। রিশাদ মকবুলের অসম চোখ ঠিক করার প্রস্তাব দিলে সে দইয়ের হাঁড়ি ফেলে পালায়। ছড়িয়ে পড়া দইয়ের অসম বিন্যাস দেখে রিশাদ আবার স্ক্যালপেল হাতে নেয়।