আয়নাঘর পরিদর্শন উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘এ রকমই একেকটা আয়নাঘরে আমরা সতেরো কোটি মানুষ আটকা ছিলাম ষোলো বছর। আর গোপনে বলতাম, আল্লাহ এই ডাইনির হাত থেকে আমাদের বাঁচাইয়া দাও।’ এই সময়ে উপদেষ্টা তার গুম হওয়া বন্ধু প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এমন এক ঘরে হয়তো বাল্যবন্ধু সাজেদুল ইসলাম সুমনকে রাখা হয়েছিল। পরে যাকে ইনজেকশন পুশ করে জিয়াউল আহসানের নির্দেশে শীতলক্ষ্যায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়। তিনি এই সময় বলেন, যার কথা ছিল সন্তানদের সাথে ভাত খাওয়ার, তাকে শীতশক্ষ্যার মাছেদের খাবার হতে হয়েছিল ডাইনির কারণে!