মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের পর ইরান পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর রাজধানী ও শহরগুলোতে মিসাইল নিক্ষেপ করে। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইনে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই হামলায় অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং আমিরাত ইসরাইল থেকে দূত প্রত্যাহার করে নেয়।
তবে হামলার পরও উপসাগরীয় দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে। কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিম সতর্ক করে বলেছেন, জিসিসি সদস্যদের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়ানো উচিত, কারণ এতে উভয় পক্ষের ক্ষতি হবে এবং বাইরের শক্তিগুলোর প্রভাব বাড়বে। গালফ টাইমসের সম্পাদক ফয়সল আল-মুদাহাকা বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ, উপসাগরীয় দেশগুলোর নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমান যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক মধ্যস্থতা করেছিল, কিন্তু আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে গেছে। দেশগুলো যুদ্ধ এড়াতে চাইলেও নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও জনগণ রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।