Web Analytics

মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের পর ইরান পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর রাজধানী ও শহরগুলোতে মিসাইল নিক্ষেপ করে। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইনে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই হামলায় অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং আমিরাত ইসরাইল থেকে দূত প্রত্যাহার করে নেয়।

তবে হামলার পরও উপসাগরীয় দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে। কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিম সতর্ক করে বলেছেন, জিসিসি সদস্যদের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়ানো উচিত, কারণ এতে উভয় পক্ষের ক্ষতি হবে এবং বাইরের শক্তিগুলোর প্রভাব বাড়বে। গালফ টাইমসের সম্পাদক ফয়সল আল-মুদাহাকা বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ, উপসাগরীয় দেশগুলোর নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমান যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক মধ্যস্থতা করেছিল, কিন্তু আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে গেছে। দেশগুলো যুদ্ধ এড়াতে চাইলেও নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও জনগণ রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

03 Mar 26 1NOJOR.COM

ইরানের হামলার পর যুদ্ধে না জড়ানোর আহ্বানে উপসাগরীয় দেশগুলোর সতর্ক অবস্থান

নিউজ সোর্স

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কি অংশ নেবে উপসাগরীয় দেশগুলো | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪: ০০
পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর রাজধানী ও শহরগুলোতে যখন ইরানের মিসাইলগুলো আঘাত হেনেছে, তা শুধু ইট-কংক্রিট ও কাঁচের স্থাপনাই ভাঙেনি। বরং এ আঘাত আরো বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও সংকটের বাইরে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।