Web Analytics
বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার বিষয়ক গণভোট। এটি দুই দশকের স্বৈরাচারী শাসনের পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের পর নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার এই নির্বাচনের আয়োজন করছে। ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় তারা অংশ নিচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে এক লাখ সেনা ও নয় লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছে। ভোটাররা দুটি ব্যালটে ভোট দেবেন—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য, অন্যটি ‘জুলাই সনদ’ বা সংবিধান সংস্কারের গণভোটের জন্য। প্রচারণা ছিল শান্তিপূর্ণ ও ডিজিটালমুখী, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক হলেও এর সাফল্য নির্ভর করবে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর।

১৫ বছরের প্রহসনের নির্বাচনের পর জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!