বাংলাদেশ ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে ডিজিটাল লেনদেন সহজ ও সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ জোরদার করেছে। মো. ওমর ফারুক খাঁনের মতে, সেলফিন, আই-ব্যাংকিং ও এমক্যাশসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো আপগ্রেড করা হচ্ছে, যাতে ইন্টারঅপারেবল সিস্টেমে ক্যাশ-আউট ছাড়াই টাকা স্থানান্তর সম্ভব হয়। মাস্টারকার্ডের সহযোগিতায় কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাংলা কিউআরভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ক্যাশলেস ক্যাম্পাসে রূপান্তর করা হয়েছে। ভারত, শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ নিজস্ব বাস্তবতায় লো-কস্ট ডিজিটাল ট্রানজেকশন মডেল তৈরি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইন্টারঅপারেবিলিটি চার্জের সীমা নির্ধারণ করেছে, যাতে সার্ভিস প্রোভাইডাররা ফি কমাতে বা শূন্য রাখতে পারে। নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে চালু হয়েছে দেশের প্রথম জেনারেটিভ এআই-চালিত ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘সেলফিন ইকো’। তবে নেটওয়ার্ক নির্ভরতা, সাইবার নিরাপত্তা ও সিস্টেম স্কেলিং এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্য একটাই—সব নাগরিকের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী ডিজিটাল লেনদেন নিশ্চিত করা।