আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে সমঝোতা হয়নি বাংলাদেশের। ফলে চলমান ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচি থেকে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থ পাওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানায়নি আইএমএফ। আইএমএফ বলেছে, এ বিষয়ে আলোচনা আরও চলবে এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুই কিস্তির অর্থ পাওয়া যেতে পারে আগামী জুনের শেষদিকে। খেলাপি ঋণের বিষয়ে আইএমএফ বলেছে, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এটি কমিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আইএমএফ-এর শর্ত ছিল সরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার। যদিও বর্তমানে সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের গড় প্রায় ৪৩ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের গড় প্রায় ১৬ শতাংশ, যা খুবই অস্বাভাবিক।