এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ছিলো বিচার ও সংস্কার। জুলাই সনদের খসড়ায় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার কোন রোডম্যাপ না থাকা আমাদের হতাশ করেছে। তিনি জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ৬টি উপায় নিয়ে ঐকমত্য কমিশনে মতামত পাওয়া গেছে, যার মধ্যে গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। অন্যান্য দলের গণভোট ও সংবিধান সংস্কার সভাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব রয়েছে। কোন প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন করা হবে, তার সাথে নির্বাচনী প্রস্তুতির সম্পর্ক রয়েছে। এই আলোচনা চলাকালেই প্রধান উপদেষ্টার একপাক্ষিকভাবে নির্বাচনের সময় ঘোষণা এনসিপিকে হতবাক করলেও, বৃহত্তর স্বার্থে তা মেনে নেয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে বলা হল, সেই সময়ের মধ্যে সংস্কার ও বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জন করা প্রয়োজন হবে। আদীব বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশের পূর্বেই সরকার সংস্কার বিষয়ক পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জনের রোডম্যাপ প্রকাশ করা হবে। কিন্তু অজানা কারণে ঐকমত্য কমিশনের পরবর্তী দফার বৈঠক পেছানো হয়েছে এবং এখনো জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি দেয়ার উপায় নির্ধারণ হয়নি। জুলাই সনদ চূড়ান্ত না করে এবং বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত না হয়ে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ঐকমত্য কমিশন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের সামিল। আমরা কোনভাবেই নির্বাচন বিরোধী নই। সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত না করে নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ ভবিষ্যতে সংকট তৈরি করতে পারে।