মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর মানুষকে চাঁদে পাঠানোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে বিশাল স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলএস) রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ মঞ্চে নেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী স্থানান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি আর্টেমিস–২ মিশন চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে। তিনজন মার্কিন ও একজন কানাডীয় নভোচারী প্রায় ১০ দিনের এই অভিযানে চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করবেন, তবে অবতরণ করবেন না।
এই মিশনটি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ঘোষিত ‘চাঁদে ফেরার’ লক্ষ্য বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রকেট স্থানান্তরের সময় নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ ও জেরেমি হ্যানসেন উপস্থিত ছিলেন। প্রকৌশলীরা এখন রকেটের নিরাপত্তা যাচাইয়ে একাধিক পরীক্ষা, যার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিমুলেশনও রয়েছে, সম্পন্ন করবেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে নাসা মানববিহীন আর্টেমিস–১ মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনও ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষকে চাঁদে পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের অগ্রগতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত আর্টেমিস–২ বাস্তবায়নে মনোযোগ দিচ্ছে, যদিও ২০২৭ সালের আর্টেমিস–৩ মিশন স্পেস–এক্সের স্টারশিপ প্রস্তুত না হওয়ায় বিলম্বিত হতে পারে।