পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিত রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব নিতে হবে; বাংলাদেশ একা এ বোঝা বহন করতে পারবে না। রোববার রাজধানীতে ডিক্যাব ও অক্সফাম ইন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক সংলাপে তিনি বলেন, সংকটের প্রায় ১০ বছর পূর্তি নতুন উদ্যোগ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়।
তিনি বলেন, সীমিত ভূমি, উচ্চ জনঘনত্ব ও নিজস্ব উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে। এতে অবকাঠামো, পরিবেশ, জনসেবা এবং কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার ওপর চাপ পড়েছে। বাংলাদেশ খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানে অর্থায়ন কমে গেলে রোহিঙ্গা, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, শিবিরের স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
শামা বলেন, সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই স্থায়ী সমাধানও সেখানে খুঁজতে হবে। বাংলাদেশের লক্ষ্য নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন। তিনি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন, শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু ও ২০১৭ সালের পর রাখাইন থেকে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়টি বিবেচনা এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।