দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় হামলার পর লুট হওয়া আটটি আগ্নেয়াস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিক্ষুব্ধ জনতা থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি লুট করে। দেড় বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও চারটি চায়না রাইফেল, দুটি পিস্তল, দুটি গ্যাসগান ও দেড় শতাধিক গুলি উদ্ধার সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় সলঙ্গা থানায় একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। তবে ওসি ইসমাইল হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. হাফিজুর রহমান স্বীকার করেছেন, ঠিক কতগুলো অস্ত্র লুট হয়েছিল তা নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র উদ্ধার না হলে সহিংসতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
হাটিকুমরুল এলাকার ভোটাররা বলেছেন, অস্ত্র উদ্ধারের নিশ্চয়তা না থাকলে ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় পেতে পারেন অনেকে। সচেতন মহল মনে করছে, অস্ত্র উদ্ধারে বিলম্ব পুরো জেলার নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং নির্বাচনের আগে গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।