Web Analytics

জার্মানির ফ্রাই ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক ও গবেষকের লেখা এক প্রবন্ধে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যু নতুন করে আলোচনায় এসেছে। লেখক হাদিকে কেবল একজন নিহত কর্মী হিসেবে নয়, বরং এক নৈতিক প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যার মৃত্যু রাষ্ট্রের ভণ্ডামি ও সমাজের নীরবতার মুখোশ উন্মোচন করেছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, হাদি ছিলেন এমন এক তরুণ, যিনি সত্য বলার সাহস দেখিয়েছিলেন, আর সেই কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

লেখক গ্রিক পুরাণ, গ্রামশি ও এডওয়ার্ড সাঈদের ভাবনা টেনে এনে দেখিয়েছেন, কীভাবে ক্ষমতা স্মৃতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রান্তিক কণ্ঠকে বিস্মৃতির দিকে ঠেলে দেয়। তিনি নাগরিক সমাজের নীরবতাকে নৈতিক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং আহ্বান জানিয়েছেন—এই শোককে যেন প্রতিবাদ ও নৈতিক পুনর্গঠনে রূপান্তর করা হয়।

প্রবন্ধটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কেবল এক তরুণের মৃত্যু নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবেক ও ন্যায়বোধের সংকটের প্রতিফলন।

20 Dec 25 1NOJOR.COM

হাদির মৃত্যু নিয়ে প্রবন্ধে ন্যায়বিচার ও নৈতিক জাগরণের প্রশ্নে নতুন বিতর্ক

নিউজ সোর্স

হাদি মরেনি—আমরাই মরছি প্রতিদিন

মহান বিপ্লবী প্রিয় শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জন্য এই লেখাটা লিখতে গিয়ে আমাকে কাগজে লাঙল চালাতে হয়েছে—আর সেই লাঙলের ফলায় বারবার আটকে গেছে বুকের ভেতরের জমে থাকা কান্না।

লিখতে বসেছি, কলম ধরেছি—কিন্তু এক লাইনও এগোতে পারিনি। বারবার থেমে গেছি। থামতে হয়েছে।