পশ্চিম তীরের রামাল্লা এখন ইসরাইলি ‘খোয়াড়’
ইসরাইলের অত্যাচারে দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে পশ্চিম তীরের বাসিন্দাদের জীবন। বেড়েছে সেনাদের দখলদারিত্ব। গড়ে উঠেছে চেকপয়েন্ট আর লোহার গেট। যার ফলে নিজ গ্রামে ঢুকতেও বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন রামাল্লার বাসিন্দারা।
অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রামাল্লার গ্রামগুলোতে কমপক্ষে ১১৯টি লোহার গেট স্থাপন করেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। তাদের নির্দেশেই খোলা রাখা হয় গেটগুলো। ঘরে ফিরতে দেরি হলেই বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রবেশপথগুলো। ফলে মাঝে মধ্যে তীব্র ঠান্ডায় রাস্তায় দিন কাটাতে হয় বাসিন্দাদের। বারঘৌতি বলেছেন, ‘প্রতিটি গ্রামে এখন একটি গেট আছে এবং খোঁয়ারে যেমন ভেড়া আটকে রাখা হয় ঠিক সেভাবেই তারা আমাদেরকে আটকে রাখে।' পশ্চিম তীরে এখন প্রায় ৯০০টি বাধা রয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, এসব বাধা কেবল চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং কৃষি, সামাজিক ও জীবিকার সুযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলে।
ইসরাইলের অত্যাচারে দিন দিন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে পশ্চিম তীরের বাসিন্দাদের জীবন। বেড়েছে সেনাদের দখলদারিত্ব। গড়ে উঠেছে চেকপয়েন্ট আর লোহার গেট। যার ফলে নিজ গ্রামে ঢুকতেও বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন রামাল্লার বাসিন্দারা।