Web Analytics

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন সপ্তাহ পার করছেন। লেবার পার্টির সিনিয়র নেতা ও কূটনীতিক লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে অতীত সম্পর্কের তথ্য প্রকাশের পর পদত্যাগ করেছেন। স্টারমার তাকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন, কিন্তু নতুন তথ্য প্রকাশের পর ম্যান্ডেলসন লেবার পার্টি থেকেও সরে দাঁড়ান। তিনি জানান, এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে যাতে আর কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি না হয়, সে কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

এই পদত্যাগ লেবার পার্টির ভেতরে নেতৃত্ব সংকটকে আরও তীব্র করেছে। দলের কিছু সদস্য এখন নেতৃত্ব পরিবর্তনের কথা ভাবছেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসা স্টারমার জনপ্রিয়তার ঘাটতিতে ভুগছেন। দলের নিয়ম অনুযায়ী তাকে দ্রুত সরানো কঠিন হলেও আস্থা ভোট বা সিনিয়র নেতাদের চাপের মতো বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে।

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির উপনির্বাচন এবং ৭ মে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও ইংল্যান্ডের স্থানীয় নির্বাচন স্টারমারের জন্য বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলাফল খারাপ হলে তার নেতৃত্ব নিয়ে চাপ আরও বাড়তে পারে, যদিও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েস স্ট্রিটিং ও অ্যাঞ্জেলা রেনার এখনই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত নন।

08 Feb 26 1NOJOR.COM

এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে ম্যান্ডেলসনের পদত্যাগে লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব সংকট

নিউজ সোর্স

চ্যালেঞ্জের মুখে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের নেতৃত্ব | আমার দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ৩৩আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ৪৮
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চলতি সপ্তাহটি ছিল কিয়ার স্টারমারের জন্য সবচেয়ে খারাপ সপ্তাহ। কারণ, ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সিনিয়র নেতা ও কূটনীত