জুলাই শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা
ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বিকাল সাড়ে পাঁচটার পর ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত 'জুলাই পুনর্জাগরণ' অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় উপস্থিত হয়ে ৫ আগস্ট ২০২৫ বিকাল ৫টায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এই ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্রে উপনিবেশবিরোধী সংগ্রাম, পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনের থেকে স্বাধীনতার চেতনা, বাকশাল, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান থেকে ফ্যাসিবাদী শাসন পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়। শেখ হাসিনার ভোটচুরি থেকে যাবতীয় জুলুম তুলে ধরা হয়। এতে জনগণের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, সুশাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। ২৮ দফায় রচিত ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
২৮ দফায় রচিত ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বিকাল সাড়ে পাঁচটার পর ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।