Web Analytics

শহীদ মীর কাসেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমান বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট রাতে একদল অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে আট বছর গুম করে রাখা হয়। সেখানে তাকে চোখ বেঁধে, হাতকড়া পরিয়ে এবং নির্যাতনের মধ্যে রাখা হয়। আরমান বলেন, তাকে আনার পর ওজন মাপা হয়েছিল এবং পরে জানতে পারেন, তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

জবানবন্দিতে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ও ১২ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, টিএফআই সেলটি র‍্যাব সদরদপ্তরের অধীনে র‍্যাব-১ কম্পাউন্ডে অবস্থিত ছিল। সেখানে স্যাঁতসেঁতে সেলে তাকে রাখা হয়, অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং খাবারে বিষ মেশানোর সন্দেহ করেন। তিনি বলেন, আট বছর পর তাকে উত্তরার দিয়াবাড়ী এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল প্যানেল তার জবানবন্দি গ্রহণ করে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

22 Jan 26 1NOJOR.COM

ব্যারিস্টার আরমানের জবানবন্দিতে গুম ও নির্যাতনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার নাম উঠে আসে

নিউজ সোর্স

আয়নাঘরে নেওয়ার পর মাপা হয়েছিল ওজন- কিন্তু কেন | আমার দেশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ৪৩আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ২২: ০৭
স্টাফ রিপোর্টার
জুডিশিয়াল কিলিংয়ের শিকার শহীদ মীর মীর কাশের আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমানকে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমার বাসা থেকে একদল অস্ত্রধারী লোক টে