Web Analytics

ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ে বর্ষার বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় কৃষি খাতে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। আমন ধান রোপণে পানি না থাকায় সেচের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে কৃষকদের, বাড়ছে খরচ। পর্যাপ্ত পানি না থাকায় পাট জাগ দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী জুলাইয়ের বৃষ্টিপাত আগের বছরের তুলনায় অনেক কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টির ধরণ পাল্টে যাচ্ছে, যা এই অঞ্চলের কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও কৃষকের জীবিকায় বড় হুমকি তৈরি করতে পারে।

Card image

নিউজ সোর্স

জলবায়ু পরিবর্তনে বৃষ্টিপাত কমছে উত্তরের তিন জেলায় বিরূপ প্রভাব কৃষি খাতে

বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক মাত্রা স্থান, ঋতু ও আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে দেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ধরা হয় ২ হাজার ৩০০ মিলিমিটার। ছয় ঋতুর দেশে আষাঢ় ও শ্রাবণ বর্ষাকাল হলেও কার্তিক মাস পর্যন্ত কম-বেশি বৃষ্টি হয়। বছরের বাকি সময়ে তেমন একটা বৃষ্টি হয় না। এখন শ্রাবণ মাস। প্রাকৃতিক নিয়মেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কোথাও কোথাও বন্যাও দেখা দিয়েছে। তবে ভিন্ন চিত্র উত্তরের তিন জেলায়। ভরা বর্ষাতেই প্রত্যাশিত বৃষ্টির দেখা মিলছে না ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ে। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণও কমছে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোয়, যার প্রভাব পড়ছে কৃষিতে এবং অনেকটা শঙ্কিত করে তুলেছে কৃষকদের। বৃষ্টির অভাবে এসব অঞ্চলে আমন ধানের চারা রোপণ করতে পারছেন না কৃষক। বৃষ্টিনির্ভর আউশ ধান নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।৷বিপাকে পড়েছেন পাটচাষীরাও।