Web Analytics

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ব্যাংক খাতে ভোক্তা ঋণ আগের তিন মাসের তুলনায় ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি কমেছে। সেপ্টেম্বর শেষে ভোক্তা ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা, যা মোট ব্যাংক ঋণের ৮.৬৩ শতাংশ। জুন শেষে এই পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৭২ হাজার ৬২১ কোটি টাকা বা ৯.৯৫ শতাংশ। এর আগে এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভোক্তা ঋণ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা বেড়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি, ঋণের উচ্চ সুদহার এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ভোক্তা ঋণ কমার মূল কারণ। বর্তমানে ব্যক্তিগত ঋণের সুদহার ১১ থেকে ১৪ শতাংশ এবং ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। টিভি, ফ্রিজ, গাড়ি ও ফ্ল্যাট কেনায় ঋণ হ্রাস সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ভোক্তা ঋণ কমে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও খুচরা বাজারে মন্দা দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী প্রান্তিকগুলোতে ঋণ প্রবাহ ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

21 Dec 25 1NOJOR.COM

উচ্চ সুদ ও মূল্যস্ফীতিতে ভোক্তা ঋণ কমেছে ২২ হাজার কোটি টাকা

নিউজ সোর্স

তিন মাসে ভোক্তা ঋণ কমেছে ২২ হাজার কোটি টাকা | আমার দেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০: ২০
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
উচ্চ সুদ হার, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি ও চলমান আর্থিক অনিশ্চয়তার প্রভাবে এবার ভোক্তা ঋণেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে আগের তিন মাসের তুলনায় ব্য