Web Analytics

আগামী ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা হতে পারে। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে, যেখানে কিছু শর্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতির স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের আশঙ্কা তৈরি করেছে। অতীতে এমন ঘটনার উদাহরণ রয়েছে। সমঝোতা না হলে রপ্তানি হ্রাস, কর্মী ছাঁটাই ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত পদক্ষেপ ও পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

Card image

নিউজ সোর্স

পাল্টা শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা বাড়ছে: যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের চুক্তি হওয়া নিয়ে উদ্বেগ ও সংশয় নতুন পাল্টা শুল্কে ঝুঁকির মুখে পড়বে রফতানি খাত

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর গত ২ এপ্রিল উচ্চ হারে পারস্পরিক বা পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) আরোপ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে তা তিন মাসের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন তিনি। সে সময়সীমা শেষ হবে আজ বুধবার। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দরকষাকষি শুরু হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশকেও পাল্টা শুল্ক বিষয়ক বাণিজ্য চুক্তির খসড়া পাঠিয়েছে দেশটি। চুক্তির খসড়ার ওপর এরই মধ্যে মতামত পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। এ মতামত যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো চুক্তির খসড়ার বিপরীতে লিখিতভাবেই জানানো হয়েছে। এর ভিত্তিতে একটি সভা হয়েছে। আরেক দফা সভা হবে আজ। উভয় পক্ষ সব বিষয়ে একমত হলে দ্রুতই চুক্তি সম্পন্ন হবে। তবে চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। কিন্তু এ আলোচনার মধ্যেই সোমবার নতুন শুল্কহার ঘোষণা করে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশকে চিঠি দিয়েছেন ট্রাম্প। চিঠিতে বাংলাদেশী পণ্যে ৩৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়া হয়। এতদিন বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার ছিল গড়ে ১৫ শতাংশ। কিন্তু ৩৫ শতাংশের সঙ্গে যদি ১৫ শতাংশ যোগ হয় তাহলে তা দাঁড়াবে ৫০ শতাংশে। যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রফতানিতে এ বড় অংকের শুল্কহারে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খাবে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক খাত, কারণ যুক্তরাষ্ট্রই বাংলাদেশী পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার। তবে নতুন শুল্কহার ঘোষণা দেয়া হলেও তা কার্যকর হবে আগামী ১ আগস্ট থেকে। এ পর্যন্ত আলোচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ উচ্চশুল্ক আলোচনার মাধ্যমে কমাতে না পারলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে রফতানি খাত।