Web Analytics

আর মাত্র ৩৬ দিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো নির্বাচনে নাশকতার চেষ্টা করতে পারে, বিশেষ করে গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গাজীপুর, নড়াইল ও বাগেরহাটসহ সাতটি জেলায়। আরও ১৫টি জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে সাত লাখের বেশি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন থাকবে। আড়াই হাজারের বেশি অতিঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হবে এবং নির্বাচনের সময় যানবাহন চলাচল ও অস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সরকারের নিরপেক্ষতা ও নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছে, তবে বিএনপি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব এবং রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে নির্বাচনী স্থিতিশীলতার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে।

08 Jan 26 1NOJOR.COM

নির্বাচনের আগে সাত জেলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎপরতা আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার

নিউজ সোর্স

সাত জেলায় সংগঠিত হচ্ছে আওয়ামী লীগ

বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের বাকি আর ৩৬ দিন। এবারের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্যসহ ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চায় প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে সামনে অন্তত চারটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

এগু