Web Analytics

ইরান সরকার জানফাদা প্রচারণার আওতায় কিশোরদের সামরিক ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার উদ্যোগ বাড়াচ্ছে। আত্মত্যাগ বা আত্মনিবেদন অর্থের এই প্রচারণায় ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের ড্রোন পরিচালনা, নজরদারি, স্থানীয় নিরাপত্তা ও অস্ত্রসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তেহরানের আজাদি স্কয়ার ও হাফতে তির স্কয়ারে সামরিক পোশাকধারী কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে শিশুদের আগ্নেয়াস্ত্র পরিচালনা ও লক্ষ্য স্থির করার প্রশিক্ষণের ছবি প্রকাশিত হয়েছে।

প্রচারাভিযানের মুখপাত্র সাসান জারে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে বলেন, অপ্রাপ্তবয়স্কদের বয়সোপযোগী প্রশিক্ষণে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ, প্রাথমিক চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও আত্মত্যাগের সংস্কৃতির ওপর জোর দেওয়া হবে। তিনি জানান, মূল স্বেচ্ছাসেবী কাঠামোতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ১২ বছর বয়সী শিশুদের নিয়োগ, নিরাপত্তা চৌকি, টহল ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অভিযোগ তুলেছে; কিছু শিশুর হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও দেখা গেছে বলে তারা জানিয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তরুণদের জাতীয় প্রতিরক্ষায় যুক্ত করার বর্তমান বিতর্ককে প্রভাবিত করে। জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সীদের নিয়োগ ও যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ ঠেকাতে রাষ্ট্রগুলোর ব্যবস্থা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

23 Oct 26 1NOJOR.COM

জানফাদা প্রচারণায় কিশোরদের সামরিক ও নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন

নিউজ সোর্স

আগামীর জন্য যেভাবে প্রস্তুত হচ্ছে ইরানের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম

ইরানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আগামীর জন্য প্রস্তুত করার কাজ চলছে বহু বছর ধরেই। ‘জানফাদা’ নামে পরিচিত একটি প্রচারাভিযানের আওতায় কিশোরদের সামরিক ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। তেহরানের বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে শিশু

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।