বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের নির্বাচনী মন্তব্যকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ঢাকা কোনো ‘নসিহত’ শুনতে রাজি নয় এবং দেশ নিজেই জানে কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে হয়। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে ভারতের নীরবতা এখনকার পরামর্শকে অগ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তলব-পাল্টা তলবের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উত্তেজনায় পৌঁছেছে।
ভারত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে ঢাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানায়। এর আগে বাংলাদেশ দিল্লির হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে ডেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত থেকে দেওয়া উসকানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টার বন্ধ ঘোষণা এবং উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সম্পর্ক আরও জটিল হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে দুই দেশই যোগাযোগ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
নির্বাচন নিয়ে দিল্লির পরামর্শ প্রত্যাখ্যান, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা