Web Analytics

ভারতের মণিপুরে ২০২৩ সালের জাতিগত সহিংসতার সময় গণধর্ষণের শিকার হওয়া কুকি তরুণী ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি মারা গেছেন। ২০২৩ সালের মে মাসে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর ইম্ফল থেকে তাকে অপহরণ করে ল্যাঙ্গোলে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয় এবং পরে বিষ্ণুপুর এলাকায় ফেলে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর থেকে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে কখনোই সুস্থ হতে পারেননি। চুরাচাঁদপুরভিত্তিক ইন্ডিজেনাস ট্রাইবাল লিডার্স ফোরাম (আইটিএলএফ) তার স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

২০ বছর বয়সী ওই তরুণী ২০২৩ সালের ২১ জুলাই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন যে, কালো শার্ট পরা চার সশস্ত্র ব্যক্তি তাকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যায় এবং তিনজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। কুকি সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, মেইরা পাইবির কিছু সদস্য তাকে মেইতেই পুরুষদের হাতে তুলে দেয়। তার মা জানান, গুরুতর আঘাতের কারণে মেয়ের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং ঘটনার পর সে তার হাসি হারিয়ে ফেলে। মৃত্যুর আগে তার চিকিৎসা চলছিল গুয়াহাটিতে।

ভূমি অধিকার ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে শুরু হওয়া ২০২৩ সালের মণিপুরের জাতিগত সহিংসতায় ২৬০ জনেরও বেশি নিহত এবং প্রায় ৫০,০০০ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন।

18 Jan 26 1NOJOR.COM

মণিপুরে গণধর্ষণের শিকার কুকি তরুণী দীর্ঘ চিকিৎসার পর মারা গেছেন

নিউজ সোর্স

ভারতের মণিপুরে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কুকি তরুণীর মৃত্যু | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ০৪
আমার দেশ অনলাইন
ভারতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার সেই তরুণী মারা গেছেন। ২০২৩ সালের মে মাসে মেইতেই-কুকি জাতিগত সংঘর্ষ শুরুর পরপরই মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে একদল নরপিশাচ অপহরণ করে গণধর্ষণ করে কুকি সম্প্রদায়