Web Analytics

২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রকাশিত আমার দেশ অনলাইনের একটি মন্তব্যে বলা হয়েছে, গাজার পুনর্গঠনকে কেবল বিনিয়োগ ও মুনাফার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে তা নতুন সংকট সৃষ্টি করতে পারে। নিবন্ধে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের প্রস্তাবিত দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করা হয়েছে, যেখানে গাজাকে বিলাসবহুল আবাসন, বাণিজ্যিক অঞ্চল ও সমুদ্র সৈকতের উন্নয়নকেন্দ্র হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে। লেখক সতর্ক করেছেন, এই ধরনের পরিকল্পনা গাজার বাস্তব মানবিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করে।

নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজা দুই মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনির আবাসভূমি, যারা দীর্ঘদিন ধরে অবরোধ, বাস্তুচ্যুতি ও আগ্রাসনের শিকার। অনেক পরিবারের কাছে তাদের ঘর শুধু বসবাসের স্থান নয়, বরং স্মৃতি, সামাজিক বন্ধন ও ১৯৪৮ সালে হারানো ভূমিতে ফেরার অধিকারের প্রতীক। লেখাটি জানায়, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও অন্তত ৪৮০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যখন বিশ্বনেতারা দাভোসে পুনর্গঠন পরিকল্পনা উন্মোচন করছিলেন।

মন্তব্যে উপসংহারে বলা হয়েছে, গাজার পুনর্গঠন তখনই অর্থবহ হবে, যখন তা ফিলিস্তিনিদের অধিকার, মর্যাদা ও ইতিহাসের স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে।

26 Jan 26 1NOJOR.COM

গাজা পুনর্গঠনে ফিলিস্তিনিদের অধিকার উপেক্ষা নয়, মর্যাদা ও ইতিহাসের স্বীকৃতি প্রয়োজন

নিউজ সোর্স

গাজা কোনো কল্পনার রিয়েল এস্টেট নয় | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ০৫আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ১১
আমার দেশ অনলাইন
গাজার ধ্বংসযজ্ঞ জরুরি পুনর্গঠনের দাবি রাখে, এ নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। তবে এই পুনর্গঠন যদি মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা, অধিকার ও ইতিহাসকে পাশ কাটিয়ে কেবল ব