Web Analytics

সরকারি সঞ্চয়ী উপকরণ প্রাইজবন্ডে দীর্ঘদিন ধরে লেনদেন ঘাটতি বাড়ছে, কারণ নতুন বিক্রির অর্থ দিয়ে পুরোনো বন্ডের দায় পরিশোধ সম্ভব হচ্ছে না। লটারিকেন্দ্রিক বিনিয়োগ প্রবণতা, মুনাফাহীনতা ও পুরস্কার প্রাপ্তির জটিলতা এর প্রতি দীর্ঘমেয়াদি আস্থা কমিয়ে দিয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৯০ লাখ টাকায়, এবং বছরের অন্য সময়গুলোতেও ধারাবাহিকভাবে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। বছরে চারবার ড্র হওয়ার কারণে লটারির আগে বিক্রি বাড়লেও পরে হ্রাস পায়, ফলে সঞ্চয়ের উদ্দেশ্য বিঘ্নিত হচ্ছে। বাজারে এখন শুধু ১০০ টাকার বন্ড পাওয়া যায় এবং প্রচার কমে যাওয়ায় আগ্রহও কমেছে। এতে সরকারের অন্য খাত থেকে অর্থ নিয়ে দায় মেটাতে হচ্ছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক।

Card image

নিউজ সোর্স

প্রাইজবন্ডের সার্বিক লেনদেনে ঘাটতি

সরকারি সঞ্চয়ী উপকরণ প্রাইজবন্ডের সার্বিক লেনদেনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বছরে গড়ে যে পরিমাণ প্রাইজবন্ড নতুন বিক্রি হয়, সেই অর্থ দিয়ে আগে বিক্রি করা বন্ডের দায় পরিশোধ করা যাচ্ছে না। ফলে সরকারের অন্য হিসাব থেকে ঋণ নিয়ে প্রাইজবন্ডে বিনিয়োগকারীদের দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। নতুন বিক্রি ও আগের বিক্রি করা প্রাইজবন্ড ভাঙানোর মধ্যকার পার্থক্য দিন দিন বাড়ছে। লটারিতে অংশ নেওয়ার সময়ে এতে বিনিয়োগ বাড়ছে। আবার লটারি সম্পন্ন হলে বিক্রি বেড়ে যাচ্ছে। অনেকেই ধারণা করছেন, একটি মহল লটারির আগে প্রাইজবন্ড বেশি মাত্রায় কিনছেন। লটারি সম্পন্ন হলে তা আবার বিক্রি করে দিচ্ছেন। ফলে প্রাইজবন্ডে দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী বিনিয়োগ গড়ে উঠছে না।