Web Analytics

জি-৭ সম্মেলনে ইসরায়েলের আগ্রাসনকে "আত্মরক্ষা" বলা হলেও বিশ্লেষকরা এটিকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের রূপ বলে উল্লেখ করেছেন। গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলা উপেক্ষা করে পশ্চিমারা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলাকে সমর্থন দিচ্ছে। অথচ গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এসব হামলা ব্যাপক তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে মারাত্মক পরিবেশগত ক্ষতি করতে পারে। নেতানিয়াহু ও তার ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ নীতিতে বিশ্বাসী প্রভাবশালী মহল যুক্তরাষ্ট্রকে আরেকটি বিপর্যয়কর যুদ্ধে ঠেলে দিতে পারে, যা ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের মতো হতে পারে।

21 Jun 25 1NOJOR.COM

গাজা থেকে ইরান পর্যন্ত নেতানিয়াহুর পশ্চিমা-সমর্থিত আগ্রাসনে পারমাণবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি

নিউজ সোর্স

পশ্চিমা মদদে গাজা থেকে ইরান পর্যন্ত নেতানিয়াহুর নতুন ‘হলোকাস্ট’

ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনকে ‘আত্মরক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করে জি৭ সম্মেলন থেকে যৌথ বিবৃতি দেয়া হয়। এ যৌথ বিবৃতিকে ‘অরওয়েলীয়’ ভাষাচালনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই বিবৃতির মাধ্যমে ভাষাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিকৃত করে তাতে আগ্রাসনকে স্বাভাবিক করে তোলা হয়েছে। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের ধারাবাহিক লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েলকে কূটনৈতিক আশ্রয় দেয়া হয়েছে।