Web Analytics

৪ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া ‘জোরপূর্বক গুম সম্পর্কিত তদন্ত কমিশন’-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, র‍্যাব, সিটিটিসি ও ডিজিএফআইসহ বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা একাধিক গুমের বিষয়ে অবগত ছিলেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন ডিজিএফআই মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আকবর হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর গুমের খবর জানিয়েছিলেন। একইভাবে সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেমের গুম সম্পর্কে জানতেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিজিএফআই ও সিটিআইবি কর্মকর্তারা ব্রিগেডিয়ার আজমির অননুমোদিত আটক অনুমোদন ও অব্যাহত রাখার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সাবেক র‍্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ কর্মকর্তাদের সাক্ষ্যে নিশ্চিত হয়, জ্যেষ্ঠ নেতৃত্ব জানত যে ভুক্তভোগীরা তাদের হেফাজতে ছিলেন। সৈনিক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে আটক কেন্দ্র পরিদর্শন করতেন, যা পরবর্তী সময়ে অজ্ঞতার দাবিকে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে।

প্রতিবেদনটি উপসংহারে জানায়, আটক সেলগুলো কর্মকর্তাদের অফিসের কাছাকাছি ও সিসিটিভির আওতায় থাকায় এসব কার্যক্রম সম্পর্কে ঊর্ধ্বতনদের অজ্ঞতার দাবি অবাস্তব এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেয়।

11 Jan 26 1NOJOR.COM

গুম বিষয়ে র‍্যাব, সিটিটিসি ও ডিজিএফআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জ্ঞানের প্রমাণ পেয়েছে কমিশন

নিউজ সোর্স

র‍্যাব-সিটিটিসির শীর্ষ কর্তারা জানতেন গুমের খবর | আমার দেশ

আবু সুফিয়ান
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৪৯আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০: ০১
আবু সুফিয়ান
হুম্মাম কাদের চৌধুরীর গুমের খবর শেখ হাসিনাকে জানিয়েছিলেন তৎকালীন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আকবর হ