Web Analytics

১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ বছর পরও চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা আসেনি। অস্ত্রবিরতি, ভূমি কমিশন, প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন ও সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোর অনেকটাই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। বরং নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও পাহাড়ি-বাঙালি উত্তেজনা বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ ও পাহাড়ি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তাদের সহায়তা অস্থিতিশীলতার অন্যতম কারণ। সেনা উপস্থিতি কমানোর সিদ্ধান্তও এখন প্রশ্নবিদ্ধ, কারণ এতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রভাব বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়ে আবারও শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় উপস্থিতি, কার্যকর ভূমি কমিশন ও বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রতিরোধের কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি। চুক্তির মাধ্যমে যে স্থায়ী শান্তি ও আস্থা প্রত্যাশিত ছিল, তা অর্জিত হয়নি। ফলে পার্বত্য অঞ্চলের অস্থিরতা এখন জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

29 Nov 25 1NOJOR.COM

২৮ বছর পরও পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা আসেনি

নিউজ সোর্স

পার্বত্য শান্তি চুক্তি: কী পেয়েছি আমরা?

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় বহু চ্যালেঞ্জ সামনে আসে। তার মধ্যে সবচেয়ে জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী একটি সমস্যা ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অস্থিতিশীলতা। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দাবি, পরিচয়, অধিকার- এসবকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে যে সশস্ত্র আন্দোলন গড়ে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।