Web Analytics

ফারজানা আহমেদ নিপা জানান, ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। কলকাতায় থাকা বান্ধবীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে ভারতের পার্লারগুলোতে বেশি বেতনে চাকরি পাওয়া যাবে বলে। সিদ্ধান্ত হয় কুমিল্লা দিয়ে অবৈধ সীমান্তপথে ভারত গমনের। দালালের মাধ্যমে ত্রিপুরার গোমতী জেলার সীমান্তে পৌঁছাতেই ধরা পড়েন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। পরদিন পাঠানো হয় গোমতী জেলা কারাগারে। নিপা বলেন, ‘গোমতীর কারাগারে অন্তত ১০ বাংলাদেশি নারী কারাভোগ করছেন। পাচারচক্রের থাবায় বাংলাদেশি অনেক তরুণী ত্রিপুরা রাজ্য ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও কলকাতা যায়। এমনকি কাজের কথা বলে অনেককে যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দেয় পাচারকারীরা।’ নিপা বলেন, ‘কল্পনাও করতে পারেনি কেউ আমাকে এ নরক থেকে উদ্ধার করবে। বাড়ি ফিরব ও স্বামী-মেয়ের মুখ দেখব এমনটাও ভাবতে পারিনি।’

Card image

নিউজ সোর্স

ভারত থেকে দেশে ফিরে যে ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন এক নারী

কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজোলার বাসিন্দা ফারজানা আহমেদ নিপা। ১৮ বছর বয়সি এ নারী কাজ করতেন বিউটি পার্লারে। এ কাজে বেশ দক্ষ তিনি। চার বছর বয়সি মেয়েকে নিয়ে ভালোই চলছিল তার স্বামী সংসার। ৯ মাস আগে সমিতি থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি নিয়ে স্বামীর সঙ্গে হয় ঝগড়া এ নারীর। পরে রাগের মাথায় পাড়ি জমান ভারতে। সীমান্ত পার হতেই ধরা পড়েন দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে। প্রায় ৯ মাস ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে কারাভোগ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আখাউড়া-আগরতলা আন্তজার্তিক চেকপোস্ট সীমান্তপথে ফিরে আসেন দেশে।