Web Analytics

লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসকে ‘জাতীয় দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লেখেন, একটা দেশকে ফিজিক্যাল কলোনি বানানোর আগে প্রথম যে কাজটা করতে হয়—সেটা হচ্ছে তাকে ইন্টেলেকচুয়াল কলোনিতে রূপান্তরিত করা। তাকে প্রতিনিয়ত বোঝানো যে, তোমার কোনো সংস্কৃতি নাই। এইভাবে আমাদের রাষ্ট্র বা এস্টাবলিশমেন্ট চিরকাল আমাদের গৌরবময় ঐশ্বর্যগুলোকে রাষ্ট্রীয় উদযাপন ও স্বীকৃতির বাইরে রেখেছে। উপদেষ্টা জাতীয় দিবস ঘোষণাকে বাইরের দুনিয়ায় আমাদের নিজেদের কালচারাল আইডেন্টিটি তৈরিতে সাহায্য করবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এস এম সুলতানের জন্মদিনকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি আলোচনা করেছি, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের বড় কালচারাল ফেনোমেনাগুলো নিয়ে। যেমন হুমায়ূন আহমেদ। উপদেষ্টা বলেন, লালন উদযাপন করা দিয়ে আমরা রবীন্দ্র-নজরুলের বাইরে তাকাতে শুরু করলাম। এটা কেবল শুরু। আমি নিশ্চিত সেদিন বেশি দূরে না যখন কনটেমপোরারি মাস্টার আর্টিস্টদেরও আমরা সেলিব্রেট করব রাষ্ট্রীয়ভাবে। ধরা যাক, আইয়ুব বাচ্চুর কথাই।

Card image

নিউজ সোর্স

জাতীয়ভাবে লালনের তিরোধান দিবস উদযাপিত হবে: উপদেষ্টা ফারুকী

বাংলাদেশের অন্যতম সংগীতসাধক, দার্শনিক লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসকে ‘জাতীয় দিবস’ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।