Web Analytics

কুড়িগ্রাম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সীমান্তে নিহত ১৩ বা ১৪ বছর বয়সী কিশোরী ফেলানীর করুণ মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। দিল্লি থেকে ফেরার পথে ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর অনন্তপুর সীমান্তের ৯৪৭ নম্বর পিলারের কাছে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে সে নিহত হয়। বাবা নুরুল ইসলাম দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়া ভারতে গিয়ে মেয়েকে নিয়ে ফেরার সময় এই ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লাল সোয়েটার পরা ফেলানীর দেহ কাঁটাতারে ঝুলে থাকতে দেখা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দরিদ্র পরিবারের বড় মেয়ে ফেলানী ছোট ভাইবোনদের দায়িত্ব নিতে অল্প বয়সেই ভারতে কাজ করতে গিয়েছিল। এক বছর পর বিয়ের প্রস্তাব পাওয়ায় দেশে ফেরার পথে সে প্রাণ হারায়। ঘটনাটি সীমান্ত হত্যার এক হৃদয়বিদারক উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার পনেরো বছর পরও ফেলানীর হত্যার বিচার হয়নি, যা সীমান্তবাসীর মনে আজও গভীর ক্ষত হিসেবে রয়ে গেছে।

07 Jan 26 1NOJOR.COM

পনেরো বছর পরও সীমান্তে নিহত কিশোরী ফেলানীর হত্যার বিচার হয়নি

নিউজ সোর্স

সেই হাত রঞ্জিত হয়েছিল রক্তে | আমার দেশ

জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ১৩
জেলা প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
১৩ কি ১৪ বছরের এক কিশোরী। চোখে-মুখে তার অনেক স্বপ্ন। পরিবারের বড় মেয়ে হওয়ায় স্বপ্নের সঙ্গে দায়িত্বটাও যেন বেশ। কিন্তু অভাবের সংসারে থেকে পড়ালেখা করে স্বপ্ন পূরণ কর