Web Analytics

আজ দুপুর বিসিবিতে দুদকের কর্মকর্তারা প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় অভিযান চালান। সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘মুজিব ১০০ প্রোগ্রামে যে ব্যয় দেখানো হয়েছে, তাতে একটা অ্যানোমলি আছে। কনসার্টসহ যে আয়োজনটা হয়েছিল, সেখানে ২৫ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। সেখানে আসলে খরচ হয়েছে ৭ কোটি টাকা। এখানে প্রায় ১৯ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়নি। ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্টের কাছে আমরা ডকুমেন্টগুলো চেয়েছি। টিকিট বিক্রি বাবদ দুই কোটি টাকা আয় হয়েছে, এই দুই কোটি টাকাও আয়ে দেখানো হয়নি। আত্মসাতের ইস্যুটা যেটা, সেখানে অঙ্কটা আরও বাড়তে পারে। বরাদ্দ ছিল ১৫ কোটি, খরচ দেখানো হয়েছে ২৫ কোটি, আর খরচ আসলে হয়েছে মোটে ৭ কোটি।’ দুদক সহকারী পরিচালক আল আমিন বলেন, ‘আরেকটা বিষয় আমরা দেখেছি টিকিট সেলিংয়ের ব্যাপারে। এ খাতে কীভাবে এত বড় অ্যানোমলি হয়, সেটা আমরা রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করছি, তা পর্যালোচনা করে দেখব আমরা।’ এছাড়াও তৃতীয় বিভাগের দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ আছে।

Card image

নিউজ সোর্স

মুজিব শতবর্ষে বিসিবি থেকে প্রাথমিকভাবে ১৯ কোটি টাকা সরানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে: দুদক

২০২০-২১ সালে ‘মুজিব বর্ষে’র আয়োজন হিসেবে নানা ফেডারেশন নানা ধরনের অনুষ্ঠান করেছে। বিসিবিও ব্যতিক্রম ছিল না। এখানেও অনুষ্ঠান হয়েছে। তবে আয়োজনের নামে বিপুল অর্থ লোপাট হয়েছে এখানে, অভিযোগ দুদকের।