Web Analytics

ডিসেম্বরে শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর ঢাকার কেন্দ্রে তার জানাজায় লাখো মানুষ অংশ নেয়, যা জাতীয় শোকের এক বিরল দৃশ্য তৈরি করে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর উদীয়মান এই কণ্ঠস্বরের মৃত্যু এখনো অমীমাংসিত থেকে গেছে এবং তার প্রতি মানুষের আবেগ কমেনি। এই দীর্ঘস্থায়ী প্রতিক্রিয়াই এখন ‘হাদি প্রভাব’ নামে পরিচিত, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক আবহে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

হাদি মূলধারার রাজনীতির বাইরে থেকে আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া ও টেলিভিশনে সরব ছিলেন। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রচারে কাজ করেন এবং ‘ইনকিলাব সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করেন। তার ভাষা ও সততা সাধারণ মানুষের কাছে তাকে ঘনিষ্ঠ করে তোলে।

প্রধান কোনো দলের সমর্থন ছাড়াই ঢাকার একটি আসনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত তাকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। তার হত্যাকাণ্ডের পর বহু মানুষ মনে করছে, তারা এক সৎ ও সাহসী কণ্ঠ হারিয়েছে। এই আবেগ এখনো রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে এবং নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

25 Jan 26 1NOJOR.COM

হাদির হত্যার পর জনআবেগ বাংলাদেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে

নিউজ সোর্স

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে ‘হাদি প্রভাব’ | আমার দেশ

ফয়সাল মাহমুদ
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ০৪
ফয়সাল মাহমুদ
ডিসেম্বরে শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তার জানাজায় লাখ লাখ মানুষ শরিক হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ড কিছু সময়ের জন্য সমগ্র জাতিকে শোকে কাতর করে তুলেছিল।
তারপর প্র