Web Analytics

চট্টগ্রাম নগরীর কেসি দে রোডে অবস্থিত বিভাগীয় গণগ্রন্থাগারটি টানা সাত বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ২৮১ কোটি টাকার সংস্কার প্রকল্প শুরু হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরপি এন্টারপ্রাইজ কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যাওয়ায় প্রকল্পটি স্থবির হয়ে পড়ে। বর্তমানে ভবনের ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হলেও লিফট, এসি ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজ বাকি রয়েছে। ফলে এক লাখেরও বেশি বই ও আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পাঠক, লেখক ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি গ্রন্থাগার বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস কমে গেছে এবং তরুণরা ডিভাইসনির্ভর হয়ে পড়ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, প্রকল্পের ধীরগতির কারণে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমানে ভবনের পঞ্চম তলায় সীমিত পরিসরে অফিস কার্যক্রম চালু থাকলেও পাঠকক্ষগুলো ব্যবহারযোগ্য নয়।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একনেকে মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। চট্টগ্রামবাসীর দাবি, চলতি বছরের মধ্যেই গ্রন্থাগারটি খুলে দিয়ে শহরের সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানচর্চার পরিবেশ পুনরুদ্ধার করা হোক।

06 Dec 25 1NOJOR.COM

সাত বছর ধরে বন্ধ চট্টগ্রাম গণগ্রন্থাগার, সংস্কার প্রকল্পে স্থবিরতা ও জনঅসন্তোষ

নিউজ সোর্স

সাত বছর ধরে বন্ধ চট্টগ্রাম বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার | আমার দেশ

এম কে মনির, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম নগরীর কেসি দে রোডে অবস্থিত বিভাগীয় গণগ্রন্থাগারটি টানা সাত বছর ধরে বন্ধ। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার পর থেকে বন্ধ হয়ে যায় জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ পাঠাগার। কয়েক দফা আশ্বাস ও উদ্যোগ নেওয়া হলেও চালু