Web Analytics

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে প্রস্তাবিত আঞ্চলিক করিডোরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে প্রবেশাধিকার দেওয়ার আগে বাণিজ্যিক, আর্থিক ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে একটি মন্তব্যধর্মী লেখা। এতে বলা হয়েছে, জাপান মাতারবাড়ীকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে শিল্পমূল্য শৃঙ্খল গড়তে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের আগে এ নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে বাণিজ্যিক শর্ত, খরচ ভাগাভাগি ও বাংলাদেশের লাভ এখনো স্পষ্ট নয়।

লেখাটিতে বলা হয়, বেশি কার্গো এলে জাহাজ চলাচল, লজিস্টিকস ও বিনিয়োগ বাড়তে পারে এবং বাংলাদেশি রপ্তানিকারকেরাও লাভবান হতে পারেন। তবে বাংলাদেশ আর্থিক ও পরিবেশগত দায় বহন করলে, আর ভারত কম খরচে নির্ভরযোগ্য বন্দরসুবিধা পেলে সহযোগিতা অসম হয়ে উঠতে পারে। প্রবেশাধিকার, শুল্ক, অতিরিক্ত সক্ষমতায় বিনিয়োগ, নিরাপত্তাবিধি ও অলাভজনক হলে পরিবর্তনের অধিকার কার হাতে থাকবে—এসব প্রশ্নের জবাব চাওয়া হয়েছে।

জাইকার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মার্চে মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প (২)-এর জন্য বাংলাদেশ ও জাইকার মধ্যে সর্বোচ্চ ১০৫ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন ইয়েন ঋণচুক্তি হয়। লেখক অর্থায়ন পরিকল্পনা, আয়-ব্যয়ের হিসাব, চুক্তির শর্ত, সংসদীয় আলোচনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পরামর্শ ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

24 Oct 26 1NOJOR.COM

মাতারবাড়ী বন্দরে ভারতীয় প্রবেশাধিকারে স্বচ্ছ ও ন্যায্য শর্তের দাবি

নিউজ সোর্স

মাতারবাড়ী বন্দর যেন ভারতের স্বার্থে না হয়

জাপানের প্রস্তাবিত আঞ্চলিক বাণিজ্য করিডোর একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে মাতারবাড়ী বন্দর ব্যবহার করতে দিলে বিনিময়ে বাংলাদেশ কী পাবে?
একটি গভীর সমুদ্রবন্দর দেশের সমৃদ্ধির পথ খুলে দিতে পারে। তবে সেই বন্দরের উপযোগ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।