Web Analytics

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ক গণভোটে রাজনৈতিক দলগুলোর নীরবতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই দিনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলেও বেশিরভাগ দল এখনো গণভোট বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। সরকার মনে করছে, এই নীরবতা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য অশুভ ইঙ্গিত। গণভোটে সংবিধান সংস্কারের চারটি প্রস্তাবের ওপর জনগণের মতামত নেওয়া হবে।

গণভোটে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে বলা হবে চারটি বিষয়ে—তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের নতুন প্রক্রিয়া, দ্বিকক্ষ সংসদ ব্যবস্থা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, এবং জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার বাস্তবায়ন। উপদেষ্টা ও বিশ্লেষকরা রাজনৈতিক দলগুলোকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ প্রচারে আহ্বান জানিয়েছেন। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারের ঘোষণা দিলেও অধিকাংশ দল এখনো নির্বাচনী প্রস্তুতিতেই ব্যস্ত।

সরকার উচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে গণসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে সংস্কার প্রক্রিয়ায় জনগণের সমর্থন নিশ্চিত হয়।

09 Jan 26 1NOJOR.COM

ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্র সংস্কার গণভোটে রাজনৈতিক দলের নীরবতায় সরকারের উদ্বেগ

নিউজ সোর্স

গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলের নীরবতায় উদ্বিগ্ন সরকার | আমার দেশ

এম এ নোমান
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ০৬আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৪৭
এম এ নোমান
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। সংসদ নির্বাচন নিয়ে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে তাদের মধ্যে নিষ্