Web Analytics

ড. মোহর আলির প্রবন্ধে প্রত্নতাত্ত্বিক ও ভাষাগত প্রমাণের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, মুসলিম রাজনৈতিক বিজয়ের বহু আগে থেকেই বাংলার উপকূলীয় অঞ্চলে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে, আরব মুসলমানদের স্থায়ী বসতি গড়ে উঠেছিল। চট্টগ্রামের স্থানীয় ভাষায় বিপুল পরিমাণ আরবি শব্দ ও বাগ্‌ধারার উপস্থিতি এবং আরবি সংস্কৃতির গভীর প্রভাব এর সাক্ষ্য বহন করে। ইতিহাসবিদদের মতে, এই আরবীকরণ কেবল অল্পসংখ্যক বণিকের অস্থায়ী যোগাযোগের ফল নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি বসতির প্রতিফলন।

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, ষোড়শ শতাব্দীতে চট্টগ্রাম ছিল সমৃদ্ধ মুসলিম বণিকদের শহর, যেখানে আরব, পারসিক ও আবিসিনীয় বণিকরা বাণিজ্য করতেন। এছাড়া বহু সুফি সাধক ও ইসলাম প্রচারক পঞ্চদশ শতাব্দীর আগেই বাংলায় আগমন করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। মিনহাজুদ্দিন সিরাজের ‘তাবাকাত-ই-নাসিরি’ গ্রন্থেও মুসলিম বণিক ও ধর্মপ্রচারকদের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এসব প্রমাণ থেকে ধারণা করা যায়, আরব মুসলমানদের প্রাথমিক আগমন ও বসতি বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় জীবনে স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে।

22 Jan 26 1NOJOR.COM

বাংলায় মুসলিম বিজয়ের আগেই আরব মুসলমানদের বসতির প্রমাণ

নিউজ সোর্স

বাংলায় মুসলিমদের আগমন ও বসতি স্থাপনের প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ | আমার দেশ

ড. মোহর আলি
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৫২
ড. মোহর আলি
খ. চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার স্থানীয় উপভাষায়, বিশেষত চট্টগ্রামের কথ্য ভাষায় বিপুল পরিমাণ আরবি শব্দ, বাক্যাংশ ও বাগ্‌ধারার সংমিশ্রণ দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি বহু প্রকাশভঙ্গি আরবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভা