Web Analytics

তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের দুর্নীতির মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতি তুলে ধরেছে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়। মাত্র দুই মাস চার দিনে ৪২ জন সাক্ষী নেওয়া এবং আট দিনের মধ্যে রায় ঘোষণাকে বিচারিক পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়। জুবাইদাকে নোটিশ না দেওয়া ও অভিযোগ গঠনে আইনি ব্যত্যয়ের কথাও বলা হয়। হাইকোর্ট তাদের সাজা বাতিল করে তারেককে ৯ বছরের ও জুবাইদাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছে। মামলাটি ২০০৭ সালে দুদক দায়ের করেছিল এবং ২০২৩ সালে বিচারিক আদালত দণ্ড প্রদান করেছিল।

15 Jul 25 1NOJOR.COM

তারেক ও জুবাইদার মামলার বিচারে গুরুতর অসঙ্গতি উল্লেখ হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে, হাইকোর্ট সাজা বাতিল করে তারেককে ৯ বছরের ও জুবাইদাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছে।

নিউজ সোর্স

বিচারিক আদালতে তারেক-জোবাইদার বিচার নিরেপেক্ষ হয়নি: হাইকোর্ট

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় বিচারিক আদালতের বিচারে নানা অসঙ্গতি উঠে এসেছে। যেখানে দ্রুতগতিতে সাক্ষী নেওয়া ও রায় ঘোষণা করা, জুবাইদা রহমানকে নোটিশ ইস্যু না করা এবং অভিযোগ গঠনে আইনের ব্যত্যয় হয়েছে।