Web Analytics

গাজী গিয়াস উদ্দিনের লেখায় আধুনিক গবেষক আবদুল মান্নান সৈয়দের বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে তিনি বলেন ইংরেজ শাসন মুসলমানদের মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে অবদান প্রায় মুছে দিয়েছিল। সৈয়দের মতে, ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের পর ঢাকা রূপান্তরিত হয় বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির নতুন রাজধানীতে, যা বাঙালি মুসলমানদের জন্য এক অভূতপূর্ব জাগরণ সৃষ্টি করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এই নবজাগরণকে আরও গভীর করে তোলে, যার প্রভাব পড়ে কবিতা, গল্প, নাটক, সংগীত ও শিল্পকলায়।

তিনি নবাব আবদুল লতিফের ‘মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি’ (১৮৬৩), সৈয়দ আমীর আলীর ‘ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন’ (১৮৭৮) এবং ১৯১১ সালের ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি’র মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা তুলে ধরেন। সৈয়দ উল্লেখ করেন, ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’ ও ‘সওগাত’-এর মতো সাময়িকীগুলো কাজী নজরুল ইসলামসহ বহু লেখকের বিকাশে ভূমিকা রাখে।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন যে, প্রধান সাহিত্য সংকলনগুলোতে মুসলমান লেখকদের স্থান দেওয়া হয়নি এবং নজরুলকে আধুনিক বাংলা কবিতার চার শ্রেষ্ঠ কবির একজন হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

24 Jan 26 1NOJOR.COM

আবদুল মান্নান সৈয়দ বাঙালি মুসলমান সাহিত্যজাগরণ ও ঢাকার সাংস্কৃতিক উত্থান বিশ্লেষণ করেন

নিউজ সোর্স

আধুনিক বাংলা সাহিত্যজাগরণে বাঙালি মুসলমান | আমার দেশ

গাজী গিয়াস উদ্দিন
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১২: ৩৮
গাজী গিয়াস উদ্দিন
‘ইংরেজ প্রায় দুশো বছরের শাসন-শোষণে একটা জিনিস করতে সক্ষম হয়েছিল যে, মুসলমানরা মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং চর্চায় একটা যে বিরাট ভূমিকা রেখেছিল সেটা প্রায় মুছে ফেলা।’