Web Analytics

বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকারি গোপন বন্দিশালায় নির্মম নির্যাতনের তথ্য গুম তদন্ত কমিশনের দ্বিতীয় প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেখানে ২৫৩ জনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যাদের মধ্যে কেউ ৩৯ দিন থেকে ৩৯১ দিন পর্যন্ত টর্চার সেলে বন্দী ছিলেন। ঝুলিয়ে রাখা, বৈদ্যুতিক শক, পানিপীড়ন, নখ উপড়ে ফেলা, শীতে কম্বল না দেওয়া এবং যৌন নির্যাতনের মতো অমানবিক শাস্তি চালানো হতো। এসব নির্যাতনে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়তেন বা শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন। গুমের শিকার নারীদের ওপরও ভয়াবহ নির্যাতনের বর্ণনা রয়েছে। নির্যাতনের চিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা বিচার বিভাগ উপেক্ষা করেছে।

06 Jul 25 1NOJOR.COM

অনেকটা ক্রুসিফাইড হওয়ার মতো করে হাত দুই দিকে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখে। ওরা আমাদের ওড়না নিয়ে নেয়। আমার পিরিয়ড অনেক দেরিতে হতো। এতো বেশি নির্যাতন করেছে যে সঙ্গে সঙ্গে পিরিয়ড আরম্ভ হয়: গুম নির্যাতনের শিকার এক নারী

নিউজ সোর্স

RTV 06 Jul 25

দ্বিতীয় প্রতিবেদনেও উঠে এলো হাসিনার গোপন বন্দিশালার ভয়াবহ তথ্য

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতনের বহু আগে থেকেই আলোচনায় আসে ‘আয়নাঘর’সহ শেখ হাসিনার নানা গোপন বন্দিশালা। যেখানে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে বা সরকারের জন্য হুমকি এমন মানুষকে ধরে নিয়ে গুম করে রেখে চালানো হতো ভয়াবহ নির্যাতন। তারই কিছু বর্ণনা উঠে এসেছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের দ্বিতীয় প্রতিবেদনে।