Web Analytics

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করলেও ইরানে এবার দেখা যায়নি আগের মতো উচ্ছ্বাস। একসময় বিশ্বকাপ মানেই ছিল জাতীয় উৎসব, কিন্তু এবার তেহরান থেকে তাবরিজ পর্যন্ত রাস্তাগুলো রয়ে গেছে নিস্তব্ধ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নেই কোনো উদযাপনের ঢেউ। ফুটবল, যা একসময় ইরানিদের জীবনের অংশ ছিল, এখন যেন বিষণ্ণতার ছায়ায় ঢাকা।

২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর শুরু হওয়া ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ আন্দোলন ইরানি সমাজকে গভীরভাবে বিভক্ত করে। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা বিক্ষোভ দমনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান না নেওয়ায় অনেকের ক্ষোভ জন্মায়। ফলে দলটি এখন অনেকের কাছে জনগণের নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রতীক। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যস্ফীতি ও যুদ্ধের আশঙ্কা, যা মানুষের মন থেকে ফুটবলের আনন্দ মুছে দিয়েছে।

ক্রীড়া সাংবাদিক ও সমর্থকদের মতে, ফুটবল এখন আর ইরানি সমাজের প্রধান আলোচ্য নয়। তবে কেউ কেউ আশা করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা কেটে গেলে হয়তো ফুটবলের প্রতি আগের আবেগ ফিরে আসবে।

07 Jun 26 1NOJOR.COM

সামাজিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক সংকটে ইরানের বিশ্বকাপ উচ্ছ্বাস ম্লান

নিউজ সোর্স

ইরানের বিশ্বকাপ উন্মাদনা হারিয়ে গেছে বিষণ্ণতার ছায়ায় | আমার দেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬, ২৩: ০০
বিশ্বকাপ এলেই একসময় ইরানের শহরগুলো রূপ নিত উৎসবের নগরীতে। জাতীয় দল বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করলেই রাস্তায় নেমে আসত হাজারো মানুষ। গাড়ির হর্ন, পতাকার ঢেউ আর বিজয় মিছিলে রাতভর মুখর থাকত তেহরান থেকে তাবরিজ। কিন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।