২০২৬ সালের বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করলেও ইরানে এবার দেখা যায়নি আগের মতো উচ্ছ্বাস। একসময় বিশ্বকাপ মানেই ছিল জাতীয় উৎসব, কিন্তু এবার তেহরান থেকে তাবরিজ পর্যন্ত রাস্তাগুলো রয়ে গেছে নিস্তব্ধ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নেই কোনো উদযাপনের ঢেউ। ফুটবল, যা একসময় ইরানিদের জীবনের অংশ ছিল, এখন যেন বিষণ্ণতার ছায়ায় ঢাকা।
২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর শুরু হওয়া ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ আন্দোলন ইরানি সমাজকে গভীরভাবে বিভক্ত করে। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা বিক্ষোভ দমনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান না নেওয়ায় অনেকের ক্ষোভ জন্মায়। ফলে দলটি এখন অনেকের কাছে জনগণের নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রতীক। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যস্ফীতি ও যুদ্ধের আশঙ্কা, যা মানুষের মন থেকে ফুটবলের আনন্দ মুছে দিয়েছে।
ক্রীড়া সাংবাদিক ও সমর্থকদের মতে, ফুটবল এখন আর ইরানি সমাজের প্রধান আলোচ্য নয়। তবে কেউ কেউ আশা করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা কেটে গেলে হয়তো ফুটবলের প্রতি আগের আবেগ ফিরে আসবে।
সামাজিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক সংকটে ইরানের বিশ্বকাপ উচ্ছ্বাস ম্লান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।