Web Analytics

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট রাতে মগবাজারের বাসা থেকে ৫০-৬০ জন সাধারণ পোশাকধারী লোক তাকে তুলে নিয়ে যায়। হাতকড়া ও চোখ বাঁধার পর তাকে কচুক্ষেতের ডিজিএফআই কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। চোখের বাঁধন খানিকটা সরে গেলে তিনি অপহরণকারীদের একজন ডিজিএফআই কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মকছুরুলকে চিনতে পারেন।

আযমী বলেন, তাকে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি)-এর ১১ নম্বর সেলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আটকে রাখা হয়। সেখানে তিনি দীর্ঘ আট বছর সীমাহীন নির্যাতন, নিম্নমানের খাবার ও চিকিৎসা সংকটে ভুগেছেন। ২,৯০৮ দিন তিনি সূর্যালোক ও প্রাকৃতিক বাতাস থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তিনি জানান, সেলের চারপাশে সারাক্ষণ কৃত্রিম শব্দ চালানো হতো যাতে বাইরের কেউ নির্যাতনের আওয়াজ না শুনতে পায়।

তার জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী দিনের জন্য শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে।

02 Feb 26 1NOJOR.COM

ডিজিএফআই কমপ্লেক্সে গুম ও নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন ব্রিগেডিয়ার আযমী

নিউজ সোর্স

জমটুপি পরানোর পরও যেভাবে ডিজিএফআই কর্মকর্তাকে চিনেছেন আযমী | আমার দেশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ৩৬
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমীকে ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট গুম করা হয়। মগবাজারের বাসা থেকে তুলে নেওয়ার সময় তাকে হাতকড়া পরানো হয় এবং চোখ বাঁধা হয়। এরপর জমটুপি পরানো হলে চোখের ব