Web Analytics

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ডে দুটি নতুন পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন আইনটির নাম হবে ‘বন্দর আইন, ২০২৫’। এতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একজন এবং অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আরেকজন কর্মকর্তাকে বোর্ড সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তারা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ে বসেই দায়িত্ব পালন করবেন। এই উদ্যোগে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। বন্দর কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বাড়বে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব ঘটবে।

বন্দর সূত্র জানায়, বর্তমানে ‘বন্দর আইন, ২০২২’ অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান ও চারজন সদস্য নিয়ে বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে। সদস্যরা প্রশাসন, অর্থ, হারবার ও মেরিন এবং প্রকৌশল বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। নতুন সদস্যরা ঢাকায় অবস্থান করলে বন্দরের কার্যক্রমে তাদের দায়বদ্ধতা কমে যাবে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন। এ বিষয়ে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বন্দরের সাবেক সদস্য জাফর আলমসহ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করলে প্রশাসন ভারী হয়ে বন্দরের দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।