Web Analytics

আদিত্য ধরের পরিচালিত নতুন বলিউড সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির পর থেকেই ভারতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ৫ ডিসেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত তিন ঘণ্টার এই স্পাই থ্রিলারে ১৯৯৯ সালের কান্দাহার বিমান ছিনতাই, ২০০১ সালের সংসদ হামলা এবং ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার মতো ঘটনাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। দর্শকরা সিনেমার নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করলেও সমালোচকেরা বলছেন, এতে উগ্র জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় পক্ষপাতের ইঙ্গিত রয়েছে, যার কারণে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ছবিটি নিষিদ্ধ করেছে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় কংগ্রেসের এমপি তারিক আনোয়ার ছবিটিকে ইসলাম-বিদ্বেষী বলে আখ্যা দিয়েছেন, অন্যদিকে বিজেপি নেতারা একে বাস্তব ঘটনার প্রতিফলন হিসেবে সমর্থন করেছেন। অভিনেতা হৃতিক রোশনও ছবির রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আদিত্য ধরের আগের ছবি ‘উরি’-র মতোই ‘ধুরন্ধর’ও সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশপ্রেমের ন্যারেটিভকে জোরদার করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৪ সালের পর থেকে বলিউডের কিছু সিনেমা সরকারের মতাদর্শ প্রচারের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। আগামী মার্চে মুক্তি পেতে যাওয়া দ্বিতীয় পর্ব নিয়েও নতুন বিতর্কের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।