এবি পার্টির নেতা আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, দেশের প্রত্যেকটি প্রশাসনিক সার্ভিস ভেঙে গেছে। ’৭১ সালেও এভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙে যায়নি। আমলা নির্ভরতার কারণে তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা এখন স্থানীয় প্রশাসন চালাচ্ছে। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সরকারি বিভিন্ন সেবা পেতে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে। আমলাদের সিদ্ধান্তে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করা সরকারের ভুল ছিল। তিনি বলেন, নাগরিকদের রাষ্ট্রই কিন্তু বাংলাদেশ। নির্বাচিত কাউন্সিলররা কেবল নাগরিক নন, তারা তাদের এলাকার অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। সুতরাং আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাদের কাউন্সিলর পদ কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে তার সম্মানও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, তারা যেন এ প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে। যৌক্তিক বাছাই করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল, ওই সব কাউন্সিলরদের নিয়োগ দেওয়া হোক।