Web Analytics

বাংলাদেশে ‘মিনিকেট’ নামে কোনো নিবন্ধিত বা সরকারি স্বীকৃত ধানের জাত নেই, অথচ দেশের প্রায় সব বাজারে এ নামে চাল বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছে আমার দেশ। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, এটি মূলত বিভিন্ন জাতের মোটা চাল অতিরিক্ত পলিশ করে ব্যবহৃত একটি বাণিজ্যিক নাম। বাজারে ব্রি-৪৯সহ অন্যান্য চাল ‘নাজিরশাইল’ নামেও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে চালের বস্তায় প্রকৃত ধানের জাত, উৎপাদনের তারিখ, মিলের নাম-ঠিকানা ও মিলগেট মূল্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করে পরিপত্র জারি করেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, একই জাতের চাল ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রির কারণে ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছেন। তবে নির্দেশনাটি বাস্তবায়িত হয়নি; এ নিয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও চালকল মালিকদের অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে, যদিও অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ থেকে ৭ শতাংশের বদলে অনেক মিলে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত চাল পলিশ করা হয়, যাতে পুষ্টিগুণ ও ওজন কমে। দিনাজপুরের চালকল মালিক সমিতির এক নেতা অবশ্য মিনিকেটের অস্তিত্ব অস্বীকারের তথ্য এবং অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। কৃষিবিদরা ২০২৪ সালের পরিপত্র কঠোরভাবে কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।